Take a fresh look at your lifestyle.

বরিশালে আইএইচটি শিক্ষার্থীদের প্রাণনাশের হুমকি, তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

১৬

ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) কয়েকজন শিক্ষার্থীতে প্রাণনাশের হুমকি ও তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন বহিরাগত দুর্বৃত্তদের ওপর। মারধরে গুরুতর আহত দুই শিক্ষার্থীকে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

দুর্বৃত্তদের মারধরে আহতরা হলেন- আইএইচটির রেডিওলজি বিভাগের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদুল হক, একই ব্যাচের ল্যাবরেটরি শিক্ষার্থী মো. শাহরিয়ার।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন তাহমিদুল হক। এতে তিনি উল্লেখ করেন, আরিফুর রহমান শাকিল, সম্রাট, সুমন, ফরহাদ ও অপুসহ ২০-২৫ জন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে তাকে তুলে নিয়ে চানমারির একটি ইটখোলায় নিয়ে যায়। অর্থের জন্য জিম্মি করা হয় তাকে। দুর্বৃত্তরা তাকে টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়, মারধরও করে। আহত অবস্থায় তাকে ছেড়ে দিলে তিনি শেবাচিমে গিয়ে ভর্তি হন।

আহত অপর শিক্ষার্থী শাহরিয়ার জানান, তিনি ঘটনার আগ মুহূর্তে নগরের চাঁদমারিস্থ বান্দরোড সংলগ্ন একটি হোটেলে নাস্তা করেন। পরে ক্যাম্পাসে ফেরার সময় আরিফুর রহমান শাকিলের নেতৃত্বে ১০-১৫টি মোটরসাইকেলে লোকজন এসে তাহমিদকে তুলে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু উদ্যান এলাকা থেকে তাকেও তুলে নিয়ে চাঁদমারি ইটের খোলা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি তাহমিদ, ইমরান, গোপাল ও শুভকে দেখেন। এরপর তাদের সবাইকে মারধর করা হয়।

তিনি বলেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানিয়েছি। আর এরপর থেকেই আমাদের কুপিয়ে জখম করা, মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। হামলাকারীরা ছাত্রত্ব না থাকা ছাত্রনেতা ইফতির মাধ্যমে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছিল।

এ বিষয়ে ইফতি জানান, তার সহপাঠীরা সবাই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছে, তাই তিনিও ক্যাম্পাসের বিষয়গুলো জানেন না। যে বহিরাগতদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তাদের সাথে কোনো যোগাযোগ বা সম্পৃক্ততা নেই। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে কি ঘটনা ঘটেছে, আর কারা ঘটিয়েছে। হামলার ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে শুনেছি বর্তমান মেয়রের অনুসারী যারা হয়েছেন, তাদের সাথে এখনও যারা একমত হননি তাদের সাথে একটি বিরোধ রয়েছে।

হামলার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত শাকিলের মোবাইল নম্বরে কল একাধিকবার করা হলে সেটি তিনি রিসিভ করেননি।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আরিচুল হক বলেন, আইএইচটির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিনিসহ পুলিশের কর্মকর্তারা ক্যাম্পাসে গিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তারসহ নানান বিষয় নিয়ে পূর্ব থেকেই দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।   তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.