Take a fresh look at your lifestyle.

বিএনপির মিছিলে গুলির অভিযোগ, আহত ২০

৮২

অনলাইন ডেক্স:

জেলার সেনবাগ উপজেলায় হরতালের সমর্থনে বের হওয়া বিএনপির মিছিলে হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।

এতে ১৬ জন গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (১৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আজিজপুর পোলের গোড়া এলাকার ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজ গ্রুপের বিক্ষোভ মিছিলে এ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

বিএনপির আহত নেতা-কর্মীরা হলেন – উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশিদুল ইসলাম, আলা উদ্দিন, মো. মহিন উদ্দিন, মো. সাইফুল ইসলাম, অন্তর, মোহাম্মদ আলম, আবু সুফিয়ান, রুবেল, বাদশা, ইমরান হোসেন, মোশাররফ হোসেন, মনির হোসেন, সিফাত, আবুল কাশেম, ইকবাল হোসেন, সবুজ,  মো. রুবেল, মো. শফিক, মোজাম্মেল হোসেন, মো. রাব্বি।

সেনবাগ পৌরসভা বিএনপির সদস্য ভিপি মফিজুল ইসলামের অভিযোগ করে বলেন, সকালে আমার নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি মহাসড়কে ওঠার পর কয়েকশ’ গজ পার করতেই সেনবাগ রাস্তার মাথার দিক থেকে কয়েকটি সিএনজি ও মোটরসাইকেলে করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একদল কর্মী আকস্মিক ছুটে আসে। তারা মিছিলে হামলা চালায়।

তিনি বলেন, হামলাকারীরা এ সময় মিছিল লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে কমপক্ষে ১৬ জন গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১৬ জন ছররা গুলিবিদ্ধ হন।

বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, হামলার ঘটনার পর আহত নেতাকর্মীদের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে, ফার্মেসিতে এবং বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।  পুলিশি হয়রানি এড়াতে বাসাবাড়িতে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাবিলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ভিপি মোহন জানান, বিএনপির মিছিলে হামলা কিংবা গুলির কোনো ঘটনা তার জানা নেই।

আওয়ামী লীগের হামলা নয়; বিএনপির জয়নুল আবেদিন ফারুক ও কাজী মফিজ অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি পুলিশের।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন জানান, মিছিলে গণ্ডগোলের খবর শুনেছেন ঘটনার অনেক পরে। পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় বিএনপির জয়নুল আবেদিন ফারুক অনুসারী ও কাজী মফিজ অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, সেখানে গুলির ঘটনা ঘটেছে কি না সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই। আহত কাউকেও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.