যশোরে বর্ষবরণের প্রস্তুতি।চারদিকে সাজসাজ রব। তবে এ বছর থাকছে না থাকছে না মুখোশ। নিরাপত্তার কড়াকড়িতে শোভাযাত্রায় মুখ ঢাকা মুখোশ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দিয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জেলা প্রশাসক।
গতকাল যশোর কালেক্টরেট ভবনের ‘অমিত্রাক্ষর’ সভাকক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রস্তুতি সভায় এবারের বর্ষবরণকে ঘিরে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নিতে অনুষ্ঠিত হয় এ প্রস্তুতি সভা। সভায় সিন্ধান্ত হেয়েছে আগামী ১৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৮ টায় টাউন হল মাঠ থেকে বিশাল আনন্দ মিছিল বের করা হবে। জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের সুর মূর্ছনায় শুরু হবে মূল আনুষ্ঠানিকতা। জেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের পদভারে মুখরিত শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানিয়েছেন, উৎসবে প্রাণের মেলা বসলেও নিরাপত্তার সাথে আপস নয়। তাই সরকারি নির্দেশনা মেনে অনুষ্ঠিত হবে বৈশাখী শোভাযাত্রা। এবারের শোভাযাত্রায় মুখ ঢাকা মুখোশ পরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে মুখোশ হাতে বহন করা কিংবা প্লাকার্ড হিসেবে প্রদর্শনে কোনো বাধা নেই। আবহমান বাংলার রূপ শোভাযাত্রায় ফুটিয়ে তোলার জন্য আমি সবাইকে আহ্বান জানাই। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, পহেলা বৈশাখ উদযাপনে আসা সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পুলিশ বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। যানজট নিরসন ও জননিরাপত্তায় পুলিশ সদস্যরা পুরো শহরজুড়ে তৎপর থাকবেন। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে সন্ধ্যার আগেই সব ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সমাপ্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ দিন যশোর জেনারেল হাসপাতাল, জেলখানা ও শিশু পরিবারগুলোতে পরিবেশন করা হবে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার। শিশুদের আনন্দ রাঙাতে শিশু একাডেমি আয়োজন করেছে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতার। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক লোকসমাজের প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত,প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন সহ যশোরের শিল্প-সাহিত্য ও প্রশাসনের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।