Take a fresh look at your lifestyle.

নারী কেলেঙ্কারি ও আত্মসাদের অভিযোগে নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরের বিরুদ্ধে মামলা

১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরিশালের রাজধানী নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান মো: জহিরুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ ঝালকাঠীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন মোঃ মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্ত প্রথম আসামি বরিশাল রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি পটুয়াখালীর বাসিন্দা হলেও ব্যবসায়ীক সূত্রে বরিশাল নগরের সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন।

মামলার বাদী মোঃ মশিউর রহমান ও দ্বিতীয় আসামি আয়শা আক্তার বিবাহ সূত্রে স্বামী ও স্ত্রী।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টায় আসামী মোঃ জহিরুল ইসলাম ও দ্বিতীয় আসামী আয়শা আক্তার ঝালকাঠী সদর উপজেলাধীন আলীপুর শশাংক গ্রামের বড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়। এসময় বাদীর মা মর্জিনা আক্তার এসব দেখলে ডাক-চিৎকার দিলে আসামীদ্বয় বাদীর বসত ঘরে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকা ও ১ ভড়ি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় ৩লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এসময়
আসামী মোঃ জহিরুল ইসলাম ২ নং আসামী আয়শা আক্তার’কে নিয়ে বাদীর সন্তানসহ প্রাইভেট কারে উঠিয়া দ্রুত ঘটনাস্থল হইতে চলিয়া যায়।

এজহার সূত্রে আরও জানা যায়, মামলার দ্বিতীয় আসামি
বাদীর স্ত্রী আয়শা আক্তার। গত ১৭/০৭/২০১৯ তারিখ ইসলামী শরাহ্ শরিয়ত মোতাবেক মশিউর রহমানের সাথে বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে একটি পুত্র সন্তান লাভ করেন। তার সন্তান আরাফ মাহমুদ মুহিতের বয়স- ৩ বছর।

বাদীর অভিযোগ ১ নং আসামী মোঃ জহিরুল ইসলাম একজন অসৎ চরিত্রের, লম্পট, নারী লোভী প্রকৃতির লোক। ১ নং আসামী রাজধানী নার্সিং কলেজ বরিশাল এর চেয়ারম্যান। উক্ত নার্সিং কলেজে বাদির স্ত্রী ২ নং আসামী সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকায় ১ নং আসামীর সহিত অবৈধ সম্পর্ক হয় এবং অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়। বিষয়টি জ্ঞাত হইয়া আসামীদের বারন করা স্বত্বেও তাদের অবৈধ কম্পর্ক অটুট রাখে। বিষয়টি ২ নং আসামীর অভিভাবকদের জানানো হয়।

নার্সিং ব্যবসার আড়ালে নানা অনিয়মের জন্ম দিয়েছে আ’ লীগের ক্ষমতা দেখানো জহির। নার্সিং ব্যবসার আড়ালে নানা অনিয়ম দুর্নীতির জন্ম দিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি। অর্থের বিনিময় নিজে জেলা কৃষক লীগের সদস্য হয়েছেন, আর স্ত্রীকে করেছেন বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি।
বৈধ কাগজপত্র না থাকা, নিজস্ব ক্যাম্পাস ও স্থায়ী ভবন না থাকা, শিক্ষক না থাকা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
জহিরের নানা অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৩ সালের ১৩ মে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে নার্সিং শিক্ষায় সিন্ডিকেটের সর্দার জহির। (নীতিমালা ছাড়াই চলছে জহির-ইয়াহিয়ার ৫৯টি নার্সিং কলেজ। এছাড়া দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক যুগান্তরসহ বরিশালের বিভিন্ন আঞ্চলিক দৈনিকেও তার অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.