১৭ বছর পরে বরিশাল জিলা স্কুলের ২০০৮ ব্যাচের সহপাঠীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঈদের দ্বিতীয়দিনব্যাপী নানা আয়োজন ও কৈশোরের স্মৃতিচারণে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের এসএসসি—০৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী উৎসব।
আলোকশিখা ছড়িয়ে যাওয়া এই বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় ছিল আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) স্কুল প্রাঙ্গণে এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। পুনর্মিলনীর উৎসবে বন্ধুদের সঙ্গে যোগ দিতে এদিন সকাল ৮টা থেকেই স্কুল প্রাঙ্গণে আসা শুরু হয়।
ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে কৈশোরের পরিচিত মুখগুলোর সঙ্গে একত্রিত হয়ে স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে একটি র্যালি শুরু হয় বেলা ১১ টায়। বন্ধুদের হাতে হাত রেখে শুরু হওয়া র্যালিটি শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে ফিরে আসে স্কুল প্রাঙ্গণে। ব্যস্ত কর্মজীবনের ক্লান্তি ভুলে কৈশোরের বন্ধুদের সঙ্গে নতুন করে কাটানো সময় ক্যামেরাবন্দি করে রাখতে সবাই ছিলেন ব্যস্ত। স্কুল জীবনের গণ্ডি পার হওয়ার ১৭ বছর পর হারিয়ে যাওয়া বন্ধুত্বের কাছে পেয়ে সবাই আনন্দিত। এক একটা পরিচ্ছেদকে আরেকবার ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় ও স্মৃতিচারণে কাটে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব।
বেলা ১২ টায় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। স্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকদের উপস্থিতিতে যে বন্ধুরা আজ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন তাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে এই পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনিতা রানী হালদার
সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফজলে গোফরান, হাবিবুর রহমান, ফারুক আলম, শহীদুল ইসলাম সহ অনান্য শিক্ষকরা।
পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণসহ শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন শরিফ মাহবুব।
দিনের শেষভাগে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষ ভাগে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয় আয়োজকদের। একই সঙ্গে যারা এবার নানা কারণে উপস্থিত থাকতে পারেনি তাদের সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী পুনর্মিলনী উৎসব আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।