Take a fresh look at your lifestyle.

ফুয়েল অ্যাপে তেল বিক্রি

নওগাঁয় কালোবাজারি ঠেকাতে ফুয়েল অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু করেছে ফিলিং স্টেশনগুলো। এ পদ্ধতিতে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে। এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করে নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ের সাকিব ফিলিং স্টেশন।

গ্রাহকদের দেওয়া তেলের পরিমাণ এবং ওই তেলে কত কিলোমিটার চলতে পারবে সেসব লিখে রাখা হচ্ছে অ্যাপে। ফলে একজন গ্রাহক চাইলেই তেল নিতে পারবেন না একাধিকবার।

প্রাথমিকভাবে নওগাঁ সদরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে এ নতুন কার্যক্রম শুরু আজ (সোমবার) থেকে।

নতুন এ অ্যাপ পদ্ধতি স্বচ্ছতা বাড়ালেও ভোগান্তি কমেনি। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও শেষ পর্যন্ত তেল না পাওয়ার অভিযোগ অনেকের।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এখন থেকে সব গ্রাহককে তেল নিতে হবে ফুয়েল অ্যাপের মাধ্যমে। গাড়িতে তেল দেওয়ার সময়, তেলের পরিমাণ, গাড়ির মাইলেজ এবং লাইসেন্স নম্বর সংরক্ষিত থাকবে অ্যাপে। একটি মোটরসাইকেল একবারে তেল নিতে পারবে ৫০০ টাকার। এতে ওই মোটরসাইকেল মাইলেজ পাবে ১২৫ কিলোমিটার। কেউ যদি ১২৫ কিলোমিটার গাড়ি না চালিয়ে অন্য পাম্পে তেল নিতে যায়, তাহলে সেটি ধরা পড়বে অ্যাপে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় ধীরে ধীরে জেলার সব ফিলিং স্টেশনে চালু করা হবে এ পদ্ধতি।

নওগাঁ সাকিব ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আল আমিন বলেছেন, এই অ্যাপ চালাতে ট্রেনিং নিতে হয়েছে জেলা প্রশাসন থেকে। এর মাধ্যমে চাইলেও কেউ তেল নিতে পারবে না একাধিকবার।

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনুল আবেদিনের ভাষ্য, রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে সদর উপজেলার আওতাধীন ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল দেওয়া হচ্ছে এ অ্যাপের মাধ্যমে। কেউ বাইক না চালিয়ে আবার তেল নিতে আসলে ধরা পড়বে অ্যাপে। প্রত্যেকটি ফিলিং স্টেশনে রয়েছে আমাদের ট্যাগ অফিসার। তারা মনিটরিং করছেন। পর্যায়ক্রমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার প্রত্যেকটি ফিলিং স্টেশনে চালু করা হবে এ অ্যাপ।

চালকদের অভিযোগ, এমনিতেই তেল নিতে হয় দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে। এরপর এ অ্যাপে তথ্য দিয়ে তেল নিতে বাড়তি সময় ব্যয় হবে। ঝামেলা বাড়বে আরও। তবে অনেকেই এ পদ্ধতিকে জানিয়েছেন সাধুবাদ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.