Take a fresh look at your lifestyle.

ট্রাম্পের রণহুঙ্কার,ইরানে আরও শক্তিশালী হামলা হবে

হুমকির ভাষা পরিত্যাগ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতি চলার মধ্যেই তিনি জানালেন, ইরানে আরও শক্তিশালী হামলা হবে, যদি মানা না হয় ‘প্রকৃত চুক্তি’।

তার দাবি, তিনি এমন হামলা শুরু করবেন যা আগে কখনও দেখেনি কেউ।

নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এই হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যম থেকেই মূলত আসে তার সব হুমকি। কঠোর শব্দবাণে বিদ্ধ করে বাধ্য করেন প্রতিপক্ষকে আসতে আলোচনার টেবিলে। এটিই ট্রাম্পের কূটনীতির ঢং। এখান থেকে আসে বিভ্রান্তিকর সব মন্তব্যও।

ইরানে ৪০ দিন লড়াই শেষে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ঘোষণা আসে দুই সপ্তাহের বিরতির। আগামীকাল শুক্রবার এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নেতাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা ইসলামাবাদে।

তবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল লেবাননে সবচেয়ে ভয়ংকর হামলা চালায় গত বুধবার। এ নিয়ে চারিদিকে উঠেছে নিন্দার ঝড়।

তবে নিন্দায় ইসরায়েলের যে কিছু যায় আসে না তা দেখা গেছে অতীতে। এবারও মনে হয় না এর ব্যতিক্রম কিছু হবে। অর্থাৎ দেশটি হামলা চালিয়েই যাবে।

এসব উদ্বেগের মধ্যে ট্রাম্প আজ ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সব যুদ্ধজাহাজ, বিমান এবং সামরিক বাহিনী—সঙ্গে অতিরিক্ত গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্র এবং যা কিছু প্রয়োজনীয়—ইরান ও তার আশপাশে অবস্থান করবে, যতক্ষণ না সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয় প্রকৃত চুক্তিটি।

তার বক্তব্য এখানেই শেষ নয়। এরপর তিনি শুরু করেন সেই পুরোনো আলাপ, শক্তিপ্রয়োগ। তিনি আরও বলেছেন, যদি কোনো কারণে তা না হয়, যদিও এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তাহলে এমন শক্তিশালী ও ব্যাপক সামরিক পদক্ষেপ শুরু হবে, যা আগে কখনও দেখেনি কেউ।

এই ধরনের হুঙ্কার অবশ্য তিনি অতীতে দিয়েছেন বহুবার। সর্বশেষ ইরানের সভ্যতা ধ্বংসের হুঙ্কার শোনা গেছে ট্রাম্পের কণ্ঠে। কিন্তু সে পর্যন্ত যাওয়ার আগেই থামে দুই পক্ষ।

ইরান পারমাণবিক অস্ত্র কোনোভাবেই বানাতে পারবে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা ও নিরাপদ রাখা হবে বলেও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও যুদ্ধ শুরুর পর তার একাধিক আল্টিমেটাম উপেক্ষা করে ইরান গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি করে রাখে অবরুদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাতে গিয়ে ট্রাম্পের ভাষ্য, তার সেনারা একটু জিরিয়ে নিচ্ছে। ‘আমাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিশ্রাম করছে, ভবিষ্যতের পরবর্তী অভিযানের জন্য দৃঢ়ভাবে অপেক্ষা করছে।’

স্ট্যাটাসের শেষ অংশে লিখেছেন, ‘আমেরিকা আবার ফিরে এসেছে!’

এদিকে প্রকৃত চুক্তি বলতে ট্রাম্প কী বুঝিয়েছেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ট্রাম্প যাকে প্রকৃত চুক্তি বলছেন, তার অধীনে তিনি কী চান তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এগুলো হলো—‘ইরানের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত ও নিরাপদ থাকবে।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.